Kolkata International Film Festival – Art & Culture Unite
Kolkata International Film Festival

Kolkata International Film Festival: A grand celebration of art and culture

“নতুন প্রজন্ম থেকে কিংবদন্তি—আন্তর্জাতিক মানের শীর্ষ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের প্রাণকেন্দ্র কলকাতা।”

বাংলা সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এক বিশেষ উৎসবমুখর সময়, শুরু হতে চলেছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (KIFF)।

 ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করে এটি আজ দেশের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

প্রতি বছর অসংখ্য দর্শক, নির্মাতা ও শিল্পী এই উৎসবে অংশ নেন, যা কলকাতাকে পরিণত করে চলচ্চিত্র প্রেমের এক প্রাণচঞ্চল মিলনমেলায়।

এই বছর ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ থেকে ১৩ই নভেম্বর পর্যন্ত। কলকাতার নন্দন, শিশির মঞ্চ, 

রবীন্দ্র সদনসহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা ২১৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে

 নির্বাচিত হয়েছে ১৯৬১ সালের কালজয়ী বাংলা ক্লাসিক ‘সপ্তপদী’।

Boldest release

এবারের উৎসবের বড় আকর্ষণ ‘Unheard India’, ‘Centenary Tribute’ এবং ‘Special Tribute’ বিভাগগুলো, যেখানে ভারতসহ

আরও ৩৯টি দেশের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের মূল মন্ত্র—“চলচ্চিত্র মেলায় বিশ্ব।”

এবারের উৎসবের বড় আকর্ষণ ‘Unheard India’, ‘Centenary Tribute’ এবং ‘Special Tribute’ বিভাগগুলো, যেখানে ভারতসহ আরও ৩৯টি দেশের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের মূল মন্ত্র—“চলচ্চিত্র মেলায় বিশ্ব।”

বিশেষভাবে এবারের উৎসবে দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কলকাতায় একত্রিত হচ্ছেন দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্র অনুবাদক, পরিচালক ও শিল্পীরা, 

যা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোর সঙ্গে কলকাতার সংযোগ আরও মজবুত করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকবেন

 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, যেখানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় বিশেষ নৃত্য পরিবেশন করবেন।

 সমালোচকদের মতে, এই উৎসব শুধু সিনেমা প্রদর্শনের নয়—এটি এক সত্যিকারের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা।

২০২০ ও ২০২১ সালের মহামারির কারণে প্রদর্শিত সিনেমার সংখ্যা কমে গেলেও, এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে 

সেই সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ডকে এ বছরের ফোকাস কান্ট্রি 

হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাদের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নতি ও বৈচিত্র্য এই উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে—ভারতীয় তথ্যচিত্র , আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং শিশু চলচ্চিত্র প্রদর্শনী—দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি, KIFF আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে বাংলা সিনেমার সংযোগ গভীরতর করতে নিরন্তর ভূমিকা রাখছে।

এই উৎসবের মাধ্যমে কলকাতা আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোচিত হবে, আর উদীয়মান প্রতিভারা পাবেন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি। 

প্রত্যেক বছরের মতো এবারের উৎসবও সেই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজ্যের প্রখ্যাত অভিনেতা, পরিচালক ও শিল্পীরা অংশ নেবেন নানা অনুষ্ঠানে,আলোচনায় এবং সংলাপে, যা উৎসবকে করবে আরও প্রাণবন্ত।

অতএব, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুধুমাত্র সিনেমা প্রদর্শনের মঞ্চ নয়—এটি বাংলা সিনেমা ও সংস্কৃতির এক মহোৎসব, যা প্রতি বছর দর্শক ও শিল্পীদের মধ্যে জাগিয়ে তোলে নতুন আশার আলো।

0 Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *