Jaya Ahsan Exclusive: Love, Privacy and Cinema
Jaya Ahsan Exclusive Interview

Jaya Ahsan Exclusive: Believes in Keeping Love Private — Even During Bangladesh’s Unstable Times, Cinema Has Not Stopped, Says Candid Jaya Ahsan

“ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগতই”—জয়ার স্পষ্ট বার্তা; একই সঙ্গে তিনি বললেন, কঠিন সময়েও গল্প বলার শক্তি হারায়নি বাংলাদেশের সিনেমা।

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী Jaya Ahsan  আবারও আলোচনার কেন্দ্রে—কারণ তাঁর সাম্প্রতিক এক্সক্লুসিভ 

কথোপকথনে উঠে এসেছে প্রেম, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং বাংলাদেশের অস্থির সময়েও সিনেমা-ইন্ডাস্ট্রি

 কীভাবে টিকে ছিল—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। অনেকদিন ধরেই দর্শকের একাংশ জয়ার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলী,

 কিন্তু তিনি বারবারই ইঙ্গিত দিয়েছেন—প্রাইভেসি তাঁর কাছে “নেগোশিয়েবল নয়”। 

এবার প্রথম আলোকে দেওয়া কথায় তিনি আরও স্পষ্টভাবে জানালেন, প্রেম-ভালোবাসা বা 

সম্পর্কের বিষয় তিনি ইচ্ছে করেই আড়ালে রাখতে চান—এটা তাঁর সচেতন সিদ্ধান্ত।

জয়ার মতে, সম্পর্ক যত বেশি মানুষের জানাজানি হয়, তত বেশি তা ভাঙনের দিকে যায়—এটাই তাঁর বিশ্বাস।

 তাই গণমাধ্যমের সামনে তিনি কখনওই বলতে চান না তিনি সম্পর্কে আছেন কি না, বিয়ে করার পরিকল্পনা আছে কি না

Boldest release

এই উত্তরগুলো তিনি নিজের কাছেই রাখতে পছন্দ করেন। তাঁর ভাষায়, “ব্যক্তিগত তো আসলে ব্যক্তিগত”

এটা কাজের জীবনে কোনও উপকারে আসে না, তাই অকারণে প্রকাশ করার প্রয়োজনও নেই। 

আরও কড়া ভাবে তিনি বলেছেন, যারা কাজ নিয়ে ইনসিকিউরড, তারাই অনেকসময় ব্যক্তিগত জীবন 

“বিক্রি” করে আলোচনায় থাকতে চান—এটা তাঁর পছন্দ নয়।

এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে জয়া মূলত একটা সীমারেখা টেনে দিলেন—স্টারডম থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনের ওপর

 “public access” তিনি দিতে চান না। তবে একে তিনি অস্বাভাবিক বা অস্বস্তিকরও বলছেন না; 

বরং দর্শকের ভালোবাসা থেকেই এসব কৌতূহল আসে—সেটা তিনি বোঝেন। একইসঙ্গে তিনি মজার ছলে এও বলেছেন, 

তিনি একা আছেন কি না—এটা দর্শক বা সাংবাদিক কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না; একমাত্র তিনিই জানেন।

 অর্থাৎ, ব্যক্তিগত জীবনের “নির্ধারক” তিনি নিজেই—এই অবস্থানেই অনড় জয়া।

কিন্তু এই এক্সক্লুসিভ আলাপ শুধু প্রেম বা প্রাইভেসি নিয়েই নয়—বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে 

সিনেমা-শিল্পের অবস্থাও উঠে এসেছে তাঁর কথায়। জয়া বলেছেন, “স্থবিরতা, অস্থিরতা, পটভূমি পাল্টানোর” 

কারণে দেশের নানা জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, কিন্তু সিনেমার মানুষজন ভয় পায়নি। তাঁর দাবি, তারা কাজ চালিয়ে গেছে,

 ছবি মুক্তি দিয়েছে—এবং দর্শকও পাশে দাঁড়িয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, দেশের সংস্কৃতির জন্য সিনেমা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। 

এই জায়গায় তিনি দর্শক ও সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, 

কারণ নানা উত্থান-পতনের মধ্যেও সবাই মিলে ইন্ডাস্ট্রিটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

Jaya Ahsan পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশের সিনেমা-ইন্ডাস্ট্রি “হাঁটি হাঁটি পা করে” এগোচ্ছে। একই সাক্ষাৎকারে তিনি 

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ—দুই জায়গায় কাজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন, যারা ছবি বানায় তারা চ্যালেঞ্জ নিয়েই, 

ভালোবেসেই ছবি বানায়—দর্শকের জন্য বানায়। অর্থাৎ, দুই বাংলার সিনেমা-সংস্কৃতিকে তিনি 

আলাদা দুটো দুনিয়া নয়—একটা বড় ক্রিয়েটিভ অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে দেখছেন।

শুধু ইন্ডাস্ট্রি পরিস্থিতি নয়, গল্প বলা ও সেন্সর/বাধা প্রসঙ্গেও তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। 

জয়া বলেছেন, সিনেমা দেখাতে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা অনেক দেশেই থাকে—“এটা দেখানো যাবে না, এটা করা যাবে না”

কিন্তু শিল্পীরা বাধা থাকলেও শিল্পকর্ম দিয়েই প্রতিবাদ বা বিপ্লব করেন, এবং নিজেদের মতো পথ বের করে নেন। 

উদাহরণ হিসেবে তিনি ইরানের সিনেমার কথা টেনেছেন—কঠিন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা 

যেখানে প্রধান চরিত্রে প্রসেনজিৎ এবং শুভশ্রী থাকার সম্ভাবনার কথা উঠেছে, 

এবং ছবিটি ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালনা করতে পারেন—যদিও এটাও অফিসিয়াল কনফার্ম নয়। 

কীভাবে অসাধারণ গল্প বলে, সেটাই তাঁর কাছে অনুপ্রেরণা।

এই পুরো এক্সক্লুসিভ কথোপকথন একদিকে যেমন Jaya Ahsan ‘ র ব্যক্তিগত দর্শনকে সামনে আনে

প্রেমকে আড়ালে রাখা, প্রাইভেসি রক্ষা করা—অন্যদিকে তেমনই অস্থির সময়েও সংস্কৃতি ও সিনেমা যে থামে না,

 বরং মানুষের সাহস ও দর্শকের সমর্থনে এগিয়ে যায়—সেই বার্তাও জোরালো করে। জয়ার কথায়,

 শিল্পীদের কাজই হলো শিল্প দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করা—আর তিনি সেই পথেই হাঁটতে চান, আলোচনার বদলে কাজকে সামনে রেখে।

0 Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *