Barun Sobti Kohrra 2 Patriarchal Comment
Barun Sobti Kohrra 2

Barun Sobti Says It Clearly: “The Industry Is Still Patriarchal” — Did Male Ego Get Shaken After Playing Mona Singh’s Subordinate in ‘Kohrra 2’?

বস যদি “ম্যাডাম” হন, অনেকেরই নাকি গলা শুকিয়ে যায়—বরুণ সোবতি বললেন, শক্তিশালী মহিলাদের মানতে পুরুষদের অস্বস্তি হয়; ‘Kohrra 2’-তে মোনা সিংয়ের অধীনে কাজ করতেই এই বাস্তবটা আরও পরিষ্কার।

ওটিটি-দুনিয়ায় ক্রাইম থ্রিলার চলবে, কেস চলবে, ইনভেস্টিগেশন চলবে—কিন্তু তার মাঝেই যদি এক টুকরো সত্যি 

কথা এসে বসে “শটগান” হয়ে, তাহলে সেটাই হয়ে যায় হেডলাইন। বরুণ সোবতি এবার ঠিক সেটাই করলেন।

 তিনি খোলাখুলি বললেন—ইন্ডাস্ট্রি (আর সমাজও) এখনও পুরোপুরি পিতৃতন্ত্রের ছায়া থেকে বেরোতে পারেনি, 

আর শক্তিশালী মহিলাদের সামনে অনেক পুরুষ অস্বস্তিতে ভোগেন।

বরুণের এই মন্তব্যের পেছনে আছে তাঁর সাম্প্রতিক কাজের অভিজ্ঞতা। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘Kohrra’–র 

দ্বিতীয় সিজনে তাঁকে দেখা গেছে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে, যিনি একজন মহিলা সিনিয়রের অধীনে কাজ করেন

এই সিনিয়র চরিত্রে আছেন মোনা সিং। পর্দায় বিষয়টা যতটা নাটকীয়, বাস্তবে এর রিফ্লেকশনও নাকি কম নয়

বরুণের বক্তব্য অনুযায়ী, নারী-নেতৃত্ব বা নারী-অথরিটি মানতে এখনও অনেক পুরুষের “মনের ভিতর একটা বাধা” কাজ করে।

Boldest release

বরুণ বলেছেন, বিষয়টা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কোন পরিবার/পরিবেশে বড় হয়েছেন তার ওপর—

তবু সামগ্রিকভাবে এই অস্বস্তি বাস্তব এবং অস্বীকার করার জায়গা নেই। তাঁর মতে, কেবল “অর্ডার নেওয়া” 

নয়—কোনও মহিলা যদি যুক্তি-তর্কে শক্ত একটা পয়েন্টও রাখেন, অনেক পুরুষকে তখনই অস্বস্তি বোধ করতে দেখা যায়; 

তিনি অবশ্য এটাও বলেছেন তিনি সব পুরুষের কথা বলছেন না, কিন্তু “বেশিরভাগ ক্ষেত্রে” এটা দেখা যায়। মানে, সমস্যা 

“বস মহিলা” হলেই নয়—সমস্যা হল, মহিলা যদি আত্মবিশ্বাসী হন, নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানান, আর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

এটাই তো ‘Kohrra 2’-র গল্পের ভিতরের লেয়ারের সঙ্গে মিলে যায়। একজন পুরুষ অফিসার যখন একজন মহিলা অফিসারের 

অধীনে কাজ করেন, তখন কেসের চাপের সঙ্গে সঙ্গে চরিত্রের ইগো, সামাজিক conditioning, আর “আমি কেন শুনব?” 

টাইপ একটা চাপাও বিরোধ—সবই এসে পড়ে। বরুণের বক্তব্য অনুযায়ী, 

এই জিনিসটা বাস্তব জীবনেও ঘটে, এমনকি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ভেতরেও।

মজার (এবং একটু দুঃখের) ব্যাপার হলো—এই কথা সবাই জানে, কিন্তু সবাই বলে না। বরুণ বলছেন বলেই এটা “আলোচনা” হচ্ছে।

 কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই ভাবেন—এ নিয়ে বেশি কথা বললে কাজ কমে যাবে, সম্পর্ক খারাপ হবে, বা “ট্যাগ” লেগে যাবে।

 কিন্তু বরুণের টোনটা ছিল সরাসরি: “এটা সত্যি, এটা evident”—ফাঁকা কূটনীতি নয়।

এই আলোচনার আরেকটা দিক আছে—বরুণের ক্যারিয়ার টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ‘Kohrra’ কতটা কাজ করেছে। 

তিনি বলেছেন, ওটিটি তাঁর কেরিয়ারে বড় পরিবর্তন এনেছে; ‘Asur’ দিয়ে শুরু হলেও ‘Kohrra’ এমন একটা শো, 

যেটা শুধু দর্শক নয়—ইন্ডাস্ট্রিও দেখেছে, আর তার পর থেকেই তিনি আরও বেশি কাজ পাচ্ছেন। অর্থাৎ, পর্দায় তিনি “অধস্তন” 

হলেও বাস্তবে তিনি নিজের কাজের জায়গা আরও শক্ত করছেন—এই irony-টাই যেন পুরো খবরটার একেবারে ‘chef’s kiss’ অংশ।​

দিনশেষে বরুণ সোবতির মন্তব্য একটা অস্বস্তিকর সত্য মনে করিয়ে দেয়—নারী নেতৃত্বকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে 

এখনও আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। কিন্তু ভালো খবর হলো—এই কথাগুলো যত বেশি শোনা যাবে, তত বেশি

 “অস্বস্তি” কমে “স্বাভাবিকতা” তৈরি হবে। আর ‘Kohrra 2’-র মতো শো যদি গল্পের মধ্যে দিয়ে এই বাস্তবতা তুলে ধরে, 

সেটাও একটা দরকারি ধাক্কা—ইন্ডাস্ট্রি আর দর্শক, দু’জনের জন্যই।

0 Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *