Dhurandhar Movie Review Bangla: Box Office Storm & Controversy
Dhurandhar movie review bangla

“Dhurandhar”: Box Office Storm, Clash of Opinions—Nationwide Heated Debate Over the New Spy Thriller

রণবীর সিং–অভিনীত আদিত্য ধারের ‘ধুরন্ধর’ একদিকে বক্স অফিসের রেকর্ড ভাঙছে, অন্যদিকে ভারত–পাকিস্তান—দু’দেশেই এর রাজনৈতিক ভাষ্য, সহিংসতা আর স্পাই–ন্যারেটিভ নিয়ে তর্কের ঝড় থামছেই না।

‘Dhurandhar’ নিয়ে আলোচনার প্রথম লাইনেই আসছে এর বাণিজ্যিক সাফল্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম সপ্তাহ–দু’য়েকেই ছবিটি ভারতে ২০০ কোটির বেশি সংগ্রহ

 করেছে এবং দ্বিতীয় উইকএন্ডে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংগ্রহের নতুন রেকর্ডও গড়েছে, যা ২০২৫–এর হিন্দি ছবিগুলোর মধ্যে এটিকে একেবারে শীর্ষ

 সারিতে তুলে দিয়েছে। অনেক ট্রেড–অ্যানালিস্ট একে বছরের অন্যতম সেরা বিজনেস–মেকার বলছেন; রণবীর সিং–এর কেরিয়ারে এটা পরিষ্কার কামব্যাক হিসেবে ধরা হচ্ছে

কিন্তু ‘Dhurandhar’–এর আসল আলোচনাটা শুধু টাকার অঙ্কে আটকে নেই; বরং গল্পের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আর উপস্থাপন ভীষণভাবে

 বিভাজিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ছবিটি করাচি–কেন্দ্রিক এক স্পাই–অপারেশন ও গ্যাংস্টার–ওয়ার্ল্ডকে কেন্দ্র করে, যেখানে

 পাকিস্তানকে মূলত সন্ত্রাস ও অপরাধের ঘাঁটি হিসেবে দেখানো হয়েছে—এই জায়গাটাই ভারত–পাকিস্তান দুই দেশেই অনেকের কাছে

 সেনসিটিভ লাগছে। ভারতীয় দর্শকের একাংশ ছবিটাকে “শক্তিশালী, বাস্তবধর্মী থ্রিলার” হিসেবে দেখছেন, আবার পাকিস্তানি সোশ্যাল

 মিডিয়া–ইউজার আর কিছু ভারতীয় সমালোচক একে ‘প্রোপাগান্ডা–ধারার সিনেমা’ বলে চিহ্নিত করছেন।

Boldest release

সমালোচকদের লেখা রিভিউতেও স্পষ্ট দ্বৈততা আছে। অনেকে বলছেন, আদিত্য ধারের ডিরেকশন, ভিকাশ নওলখা’র সিনেমাটোগ্রাফি 

আর শশ্বত সাচদেবের স্কোর মিলিয়ে ছবিটি ভারতীয় স্পাই–জঁরার নতুন বেঞ্চমার্ক তৈরি করেছে; রণবীর সিং–কে ‘feral’ ও ‘mean killing machine with a heart’ 

বলেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। IMDb–এর ইউজার রিভিউতেও ছবিকে “গত এক দশকের সেরা স্পাই মুভি”, “গ্রিটি মাস্টারপিস”, “নতুন এক্সপেরিমেন্টাল 

কমার্শিয়াল সিনেমা”—এইসব বিশেষণে ডাকা হয়েছে; অনেকেই ৯–১০/১০ রেটিং দিয়েছেন।

অন্যদিকে সমালোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে দৈর্ঘ্য আর সহিংসতা। ৩ ঘণ্টা ৩৪ মিনিটের রানটাইম অনেকের কাছে অতিরিক্ত লম্বা, বিশেষ করে 

যখন ছবিতে ধারাবাহিকভাবে গ্রাফিক ভায়োলেন্স, টর্চার, গুলি আর বিস্ফোরণ রয়েছে। মুম্বাই হামলা (২৬/১১)–এর অনুকরণে তৈরি একটি সিকোয়েন্স

 আর অর্জুন রামপালের চরিত্রকে ঘিরে নির্মম কিছু দৃশ্যকে অনেক রিভিউ “ডিস্টার্বিং কিন্তু ইফেক্টিভ” বললেও, কিছু দর্শক মনে করছেন—

সহিংসতার মাত্রা A–সার্টিফিকেটের সীমাকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে।

রাজনৈতিক দিক থেকে বিতর্কের আরও এক স্তর এসেছে, কারণ ছবিটি সীমান্ত–সন্ত্রাস আর আইএসআই–ধাঁচের ছায়া–যুদ্ধকে দেখাতে গিয়ে বাস্তব নীতি

–রাজনীতির বহু ইঙ্গিত রেখেছে। BBC–সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বলছে, ভারতের অনেক দর্শক ছবিটাকে জাতীয় নিরাপত্তা ও সেনাবাহিনীর

 বাস্তব লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখে গর্বিত বোধ করছেন, আবার পাকিস্তানি সামাজিক মাধ্যম ও সমালোচক মহল একে নিজেদের দেশের

 ইমেজের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক সিনেম্যাটিক ন্যারেটিভ’ মনে করছে। এই দ্বন্দ্বই ‘ধুরন্ধর’–কে 

শুধু এন্টারটেনমেন্ট না থেকে, সমসাময়িক ভূ–রাজনীতির সাথেও যুক্ত করে দিয়েছে।

তবু একটা জায়গায় প্রায় সবাই একমত—পরফরম্যান্স ও টেকনিক্যাল কোয়ালিটি। রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অক্ষয় খান্না, সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন, 

অর্জুন রামপাল ও সারা অর্জুন–এর কাজকে বহু রিভিউ আলাদা করে প্রশংসা করেছে। বিশেষ করে রণবীর–অক্ষয়ের ইন্টারঅ্যাকশনকে

 “ফিল্মের ইলেকট্রিক কোর” বলা হয়েছে; তাঁদের কেমিস্ট্রি ও কনফ্লিক্ট ছবির আবেগ ও টেনশন দুইই বাড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শক–রিঅ্যাকশনও বেশ স্পষ্ট—

  • অ্যাকশন–থ্রিলার–প্রেমীরা বলছেন, “দেখতেই হবে, বড় পর্দার অভিজ্ঞতা।”​​
  •  
  • সংবেদনশীল দর্শক বা যারা গ্রাফিক ভায়োলেন্সে অস্বস্তি বোধ করেন, তাঁরা সতর্ক করে দিচ্ছেন, “হার্ট–ফেইন্টেডদের জন্য নয়।”​

তবু একটা জায়গায় প্রায় সবাই একমত—পরফরম্যান্স ও টেকনিক্যাল কোয়ালিটি। রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অক্ষয় খান্না, সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন, 

অর্জুন রামপাল ও সারা অর্জুন–এর কাজকে বহু রিভিউ আলাদা করে প্রশংসা করেছে। বিশেষ করে রণবীর–অক্ষয়ের ইন্টারঅ্যাকশনকে

 “ফিল্মের ইলেকট্রিক কোর” বলা হয়েছে; তাঁদের কেমিস্ট্রি ও কনফ্লিক্ট ছবির আবেগ ও টেনশন দুইই বাড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে, ‘Dhurandhar’ এখন একসাথে ব্লকবাস্টার, ডিসকাসশন–স্টার্টার আর ডিভাইসিভ ফিল্ম—তিন ভূমিকাতেই খেলছে। কেউ একে ২০২৫–এর সেরা বলিউড ছবি বলছেন, 

কেউ আবার অতিরিক্ত সহিংস ও রাজনৈতিকভাবে জটিল বলে সাবধানে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন; কিন্তু একথা অস্বীকার করা কঠিন যে, এই ছবি নিয়ে কথা না বলে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

0 Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *